Skip to main content

Posts

মগজের কাটলেট

খাবারের তালিকায় মগজের পদ মানেই একটু ভিন্ন স্বাদ ও বিশেষ আয়োজন। মগজের ঝাল ফ্রাই বা ভুনা তো খাওয়াই হয়। তবে মগজের কাটলেট খেয়ে দেখেছেন কখনো? গরু বা খাসির মগজের নরম, মোলায়েম টেক্সচার আর মশলার মিশ্রণে তৈরি মগজের কাটলেট রিচ, ক্রিমি ও ভীষণ সুস্বাদু। এই কাটলেট মুখে দিলেই যেন গলে যায়, আর প্রতিটি কামড়ে পাওয়া যায় এক অনন্য স্বাদের অভিজ্ঞতা। সহজ কিছু উপকরণ আর সামান্য যত্নে তৈরি এই পদটি অতিথি আপ্যায়নে এনে দিতে পারে অনন্য স্বাদের অভিজ্ঞতা। চলুন, দেখে নিই মগজের কাটলেটের সহজ রেসিপি! মগজের কাটলেট তৈরি করতে যা যা প্রয়োজন উপকরণ গরুর মগজ সেদ্ধ ১ কাপ আলু সেদ্ধ ২টি পাউরুটি স্লাইস ৪-৫টা দুধ আধা কাপ ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ পুদিনা পাতা ১ টেবিল চামচ গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ পেঁয়াজ কুচি ২-৩টা গরম মসলা গুঁড়া ১-২ চা চামচ জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ জায়ফল গুঁড়া ১/৪ চা চামচ টমেটো কেচাপ ২ টেবিল চামচ লবণ স্বাদমতো ভাজার জন্য যা লাগবে ফেটানো ডিম ২টি ময়দা আধা কাপ তিল ১ চা চামচ বিস্কুটের গুঁড়া আধা কাপ ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো মগজের কাটলেট প্রস্তুত প্রণালি ১) তেল, বিস্কুটের গুঁড়া, ম...
Recent posts

মম ব্রেইন | নতুন মায়ের মনের জটিলতা

একজন নারী নতুন মা হয়ে ওঠার পর অনেকসময় ভুলে যাওয়া, বিভ্রান্তি বা মনোযোগের অভাবের মতো সমস্যার সম্মুখীন হন। অনেক সময়ই এটিকে মজার ছলে “মম ব্রেইন” বলা হয়। কিন্তু বাস্তবে এটি কোনো কল্পিত ব্যাপার নয়, বরং গর্ভাবস্থা এবং সন্তান জন্মের পর একজন নারীর মস্তিষ্কে ও মানসিকতায় যে বিশাল পরিবর্তন ঘটে, তারই প্রতিফলন। মম ব্রেইন আসলে কী? “মম ব্রেইন ” বলতে বোঝানো হয় সেই মানসিক পরিবর্তন, যা অনেক নারী গর্ভাবস্থার সময় এবং সন্তান জন্মের পর অনুভব করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় নারীদের মস্তিষ্কের কিছু অংশে পরিবর্তন ঘটে, বিশেষ করে সামাজিক উপলব্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত অংশে। এটি স্বাভাবিক হলেও, অনেক সময় নতুন মায়েদের জন্য এটি হতাশাজনক হয়ে উঠতে পারে। মায়ের দায়িত্ব শুরু হয় সন্তান জন্ম নেওয়ার আগেই, তবে সন্তানের জন্মের পর এটি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অনিদ্রা, মানসিক চাপ এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়ার কারণে অনেক মা ভুলে যাওয়া, সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হওয়া বা মনোযোগ হারানোর মতো সমস্যায় পড়েন। কেন নতুন মায়েরা এমন অনুভব করেন? নতুন মায়েরা প্রায়ই রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেন না, কারণ শিশুকে খাওয়ানো, শান্ত করা বা দেখভাল করতে হয়। পর্যাপ্ত ঘু...

রমজানে ব্যায়াম | কখন, কেন এবং কীভাবে?

রমজানে ব্যায়াম করা নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে। সারাদিন রোজা রাখার পর দেহের ক্লান্তি, পানি ও খাবারের অভাবের কথা চিন্তা করে অনেকেই এই সময়ে ব্যায়াম করা বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা এবং উপযুক্ত সময় বেছে নিলে রোজার মধ্যেও সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব। আজ আমরা জানবো, কীভাবে রমজান মাসেও ব্যায়াম করা যায় এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। সাবা একজন কর্মজীবী নারী। প্রতিদিন সকালে যোগব্যায়াম করা তার অভ্যাস। তবে রমজান শুরু হতেই সে সিদ্ধান্ত নেয় ব্যায়াম বন্ধ রাখবে। তার মনে হয়, সারাদিন রোজা রেখে শরীরচর্চা করলে ক্লান্তি বেড়ে যাবে, দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু প্রথম এক সপ্তাহের মধ্যেই সে বুঝতে পারে, শরীর দুর্বল লাগছে, মনও চঞ্চল হয়ে উঠেছে। সারাদিন অফিসের চেয়ারে বসে থাকার কারণে পেশিতে ব্যথা অনুভব করছে। এভাবে চলতে থাকলে রমজানের শেষে সে আরও অলস হয়ে পড়বে। তখনই সে ভাবতে শুরু করে, রমজান মাসে কোন সময়টি ব্যায়াম করার জন্য উপযুক্ত? রমজানে ব্যায়াম করা দরকার কেন ? সাবা তার ফিটনেস মেন্টরের সঙ্গে পরামর্শ করলে তিনি জানান, রোজার সময় ব্যায়াম বন্ধ রাখা উচিত নয়, বরং শরীরের জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ।চলুন জেনে নিই, রমজানে ব্যায়া...

বিট কেভাস | এই একটি পানীয় দূর করবে দুর্বলতা ও ত্বকের সমস্যা

আপনি কি সবসময় ক্লান্ত অনুভব করেন? হজমজনিত সমস্যা, ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া কিংবা ইমিউনিটি দুর্বল হয়ে পড়া—এই সমস্যাগুলোর অন্যতম কারণ হতে পারে আপনার গাট হেলথ! তাই সুস্থ থাকতে ও ত্বকের সমস্যা দূর করতে ট্রাই করুন বিট কেভাস। চলুন জেনে নেই বিট কেভাস কীভাবে বানানো যায়। বিট কেভাস কী? কেভাসকে প্রোবায়োটিক পানীয় বলা হয়। শুধু বিট নয়, বিটের তৈরি এই প্রোবায়োটিক পানীয় আপনাকে সুস্থ রাখতে দারুণ কার্যকরী। আমাদের কাছে এই পানীয় খুব বেশি পরিচিত নয়। কিন্তু ইউরোপীয়দের মধ্যে এটি বেশ জনপ্রিয়। পূর্ব ইউরোপের মানুষ প্রথমে কেভাস পান করা শুরু করেছিল। তবে এখন বিশ্বব্যাপী মানুষ এটি পান করা শুরু করেছে এর গুণাগুণের কারণে। বিট কেভাস হল ফারমেন্টেড এক ধরনের পানীয় , যা গাট হেলথের জন্য দারুণ উপকারী। এটি তৈরি হয় বিটরুট, পানি এবং সামান্য লবণ দিয়ে, যা কয়েকদিন রেখে ফারমেন্ট করানো হয়। কেন খাবেন? গাট হেলথ ভালো রাখে: এতে থাকে প্রচুর গুড ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিকস, যা হজমক্ষমতা বাড়ায় ও বদহজম দূর করে। কেভাস ও বিট প্রাকৃতিকভাবে গলব্লাডার পরিষ্কার করে। ইমিউনিটি বুস্ট করে: বিটরুটে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি, য...

রাত জেগে রিলস দেখার অভ্যাস কি উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে?

বর্তমানে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও বা রিলস দেখার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। আমরা অনেকেই রাত জেগে রিলস দেখে সময় কাটাই। কিন্তু জানেন কি, এই অভ্যাস ধীরে ধীরে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে? সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, রাত জেগে অতিরিক্ত রিলস দেখার কারণে উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। রাত জেগে রিলস দেখা এবং উচ্চ রক্তচাপের সংযোগ সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ৪,৩১৮ জন অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়, যেখানে দেখা যায় যারা নিয়মিত ঘুমানোর আগে স্ক্রিনে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখে, তাদের রক্তচাপ বৃদ্ধির প্রবণতা অন্যদের তুলনায় বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের বেলা স্ক্রিনের নীল আলো (Blue Light) আমাদের মস্তিষ্কে মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। এই হরমোন আমাদের ঘুমের সময় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে রাত জাগার কারণে ঘুমের ঘাটতি হয়, যা সরাসরি উচ্চ রক্তচাপের একটি বড় কারণ হতে পারে। কেন রাত জেগে রিলস দেখা বেশি ক্ষতিকর? আমরা প্রায়ই শুনি যে টিভি দেখা কিংবা কম্পিউটারে কাজ করাও দীর্ঘ সময় ধরে করা উচিত...

ত্বকের দাগছোপ দূর হবে যেকোনো একটি উপাদান ব্যবহার করলেই

ত্বকের কালচে দাগ, ব্রণের দাগ বা রোদের কারণে হওয়া পিগমেন্টেশন দূর করতে দামী স্কিনকেয়ারের পিছনে টাকা খরচ করার আগে জেনে নিন—সঠিক একটি উপাদান ব্যবহার করলেই ত্বকের দাগছোপ হবে অনেকটাই কম! আজ জানাবো এমন কিছু শক্তিশালী উপাদানের কথা, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও দাগ দূর করতে কার্যকর এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও কিন্তু এগুলো এখন প্রমাণিত। ত্বকের দাগছোপ কমিয়ে আনবো কীভাবে? স্কিনকেয়ারে অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টস ব্যবহার এখন নতুন কিছু নয়! অনেকেই এখন সিরাম বা অ্যাম্পুল ব্যবহার করছেন। কিন্তু ত্বকের প্রয়োজন অনুসারে সঠিক উপাদান বেছে নেওয়া খুবই জরুরি। ত্বকের দাগছোপ দূর করতে কোন কোন উপাদান ম্যাজিকের মতো কাজ করে, চলুন দেখে নেই এখনই। ১. ভিটামিন সি (Ascorbic Acid) ভিটামিন সি হলো ত্বকের জন্য অন্যতম শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে আপনি পাবেন ইয়াংগার লুকিং স্কিন। ভিটামিন সি মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। নিয়মিত ভিটামিন সি সিরাম বা ক্রিম ব্যবহার করলে দাগছোপ দ্রুত হালকা হয়ে যাবে। সকালে সানস্ক্রিন ব্যবহারের আগে ভিটামিন সি সিরাম অ্যাপ্লাই করতে পারেন,...

রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত সেহেরি ও ইফতার | কী খাবেন আর কী খাবেন না?

রমজান মাসে সেহেরি ও ইফতার ঘিরে থাকে আমাদের নানা আয়োজন। মুখরোচক খাবারের পাশাপাশি রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত সেহেরি ও ইফতারের কথাও কিন্তু মাথায় রাখতে হয়। নইলে দেখা দিতে পারে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা। সুস্থভাবে রমজান মাস কাটানোর বিষয়টি প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করে ইফতার ও সেহেরিতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া হচ্ছে কিনা তার ওপর। অনেকেই জানতে চেয়েছেন রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত সেহেরি ও ইফতার হিসেবে কী খাবেন, কীভাবে সুস্থ থাকবেন -তাদের সবার জন্য আজকের এই আলোচনা। রোজায় স্বাস্থ্যসম্মত সেহেরি কেমন হওয়া চাই ?  ১) যারা ওজন নিয়ে একটু ঝামেলা পোহাচ্ছেন তারা সেহেরি খাওয়া শুরু করার আগে এক গ্লাস লেবুর শরবতের সাথে ১ চামচ ইসবগুলের ভুসি মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে করে খাওয়া অতিরিক্ত হবে না। তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে তারা লেবু বাদ দিতে পারেন। ২) সেহেরিতে অবশ্যই লাল চালের বা একটু নরম ভাত রাখার চেষ্টা করবেন। তবে ভাতের সাথে রাখতে হবে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, যেমন- মাছ, মাংস বা ডিম। সাথে মসুর বা মুগের ডালও রাখতে পারেন। ৩) কম মসলা দিয়ে রান্না করা খিচুড়ি খেতে পারেন। এতে সব ধরনের সবজি, মুরগির মাংস যুক্ত করতে প...