Skip to main content

মগজের কাটলেট

খাবারের তালিকায় মগজের পদ মানেই একটু ভিন্ন স্বাদ ও বিশেষ আয়োজন। মগজের ঝাল ফ্রাই বা ভুনা তো খাওয়াই হয়। তবে মগজের কাটলেট খেয়ে দেখেছেন কখনো? গরু বা খাসির মগজের নরম, মোলায়েম টেক্সচার আর মশলার মিশ্রণে তৈরি মগজের কাটলেট রিচ, ক্রিমি ও ভীষণ সুস্বাদু। এই কাটলেট মুখে দিলেই যেন গলে যায়, আর প্রতিটি কামড়ে পাওয়া যায় এক অনন্য স্বাদের অভিজ্ঞতা। সহজ কিছু উপকরণ আর সামান্য যত্নে তৈরি এই পদটি অতিথি আপ্যায়নে এনে দিতে পারে অনন্য স্বাদের অভিজ্ঞতা। চলুন, দেখে নিই মগজের কাটলেটের সহজ রেসিপি!

মগজের কাটলেট তৈরি করতে যা যা প্রয়োজন

উপকরণ

গরুর মগজ সেদ্ধ ১ কাপ

আলু সেদ্ধ ২টি

পাউরুটি স্লাইস ৪-৫টা

দুধ আধা কাপ

ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ

পুদিনা পাতা ১ টেবিল চামচ

গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ

কাঁচামরিচ কুচি ১ চা চামচ

পেঁয়াজ কুচি ২-৩টা

গরম মসলা গুঁড়া ১-২ চা চামচ

জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ

জায়ফল গুঁড়া ১/৪ চা চামচ

টমেটো কেচাপ ২ টেবিল চামচ

লবণ স্বাদমতো

ভাজার জন্য যা লাগবে

ফেটানো ডিম ২টি

ময়দা আধা কাপ

তিল ১ চা চামচ

বিস্কুটের গুঁড়া আধা কাপ

ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো

মগজের কাটলেট প্রস্তুত প্রণালি

১) তেল, বিস্কুটের গুঁড়া, ময়দা, ডিম বাদ দিয়ে বাকি সব উপকরণ একত্রে মাখিয়ে নিন। এবার ১০ মিনিট এই মিশ্রণটি ঢেকে রাখুন।

২) কাটলেট আকারে বানিয়ে প্রথমে ময়দায় গড়িয়ে নিন। তারপর ডিমে চুবিয়ে শেষে বিস্কুটের গুঁড়ায় গড়িয়ে নিতে হবে।

৩) একটা ট্রেতে কাটলেট সাজিয়ে ১০-১৫ মিনিট নরমাল ফ্রিজে রেখে দিতে হবে।

৪) এবার ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে মাঝারী আঁচে বাদামি করে ভেজে তুলে নিন। গরম গরম কাটলেটের ওপর তিল ছিটিয়ে দিন।

তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু মগজের কাটলেট। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।

ছবি- সাটারস্টক

The post মগজের কাটলেট appeared first on Shajgoj.



from Shajgoj https://ift.tt/iUj6aBv
Jannatul Kawser

Comments

Popular posts from this blog

রেগুলার ব্রা vs পুশ-আপ ব্রা | সঠিক ইনার ওয়্যার কীভাবে সিলেক্ট করবেন?

রেগুলার ব্রা আর পুশ-আপ ব্রা, এই দু’টার মধ্যে আসলে পার্থক্য কী আর কখন কোনটা ইউজ করতে হবে, এই বিষয়গুলো আমাদের অনেকেরই অজানা। আমাদের অ্যাকটিভিটি আর আউটফিটের সাথে ইনার ওয়্যারেও ভ্যারিয়েশন আসে। যেমন সকালে ঘুম থেকে উঠে ওয়ার্ক আউট করছি, এরপর ভার্সিটি বা অফিসে যাচ্ছি, সন্ধ্যায় পার্টি অ্যাটেন্ড করছি। সব সময় কি আমরা সেইম ব্রা পরি? না তো! শাড়ি পরলে এক ধরনের ব্রা পরি, জিমে গেলে অন্য ধরনের ব্রা পরি, বাসায় থাকলে আবার আরেক রকম! কখন কোন ব্রা পরা উচিত বা কোন ড্রেসের সাথে কোনটা মানাবে এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেকেরই কনফিউশন আছে। এই বিষয়গুলো এখনও অনেকের কাছেই ট্যাবু। দিন বদলাচ্ছে, এই সামাজিক ট্যাবু থেকে বেরিয়ে আসতে হবে সবাইকে। লঞ্জেরি মেয়েদের জন্য বেসিক একটি জিনিস। তাই লঞ্জেরির ক্যাটাগরিটা আমাদের জেনে রাখা উচিত। পুশ-আপ ব্রা কেন ইউজ করে, এটাই এখনও অনেক মেয়েরা জানে না! রেগুলার ব্রা এর সাথে সাথে নিজের কালেকশনে পুশ-আপ ব্রা কেন রাখা উচিত, সেটা কিন্তু অনেকে বুঝতে পারে না। চলুন এই কনফিউশনগুলো আজ দূর করা যাক। রেগুলার ব্রা vs পুশ-আপ ব্রা    বেসিক রেগুলার ব্রা-এর ক্ষেত্রে ফেব্রিক ম্যাটেরিয়াল ও কমফোর্টের বিষ...

বিবি ক্রিম vs সিসি ক্রিম | স্কিন টাইপ অনুযায়ী কোনটি আপনার জন্য স্যুইটেবল?

ন্যাচারাল মেকআপ লুকের জন্য এখন বিবি ক্রিম ও সিসি ক্রিম বেশ জনপ্রিয়। পার্টি মেকআপ বা ফুল কভারেজ মেকআপের ক্ষেত্রে ফাউন্ডেশন ইউজ করা হয়। কিন্তু যারা রেগুলার হালকা মেকআপ করে বাইরে বের হন, তাদের জন্য বেস্ট অপশন হচ্ছে BB বা CC ক্রিম । কিন্তু আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না যে স্কিন টাইপ ও কনসার্ন অনুযায়ী কীভাবে রাইট প্রোডাক্টটি সিলেক্ট করতে হবে। এই দু’টি মেকআপ প্রোডাক্টের বেনিফিট বা কার্যকারিতা নিয়ে আজকের ফিচার। এগুলোর মধ্যে বেসিক ডিফারেন্সটা আসলে কোথায়, সেটাও জানা হয়ে যাবে। বিবি ক্রিম BB (Beauty Balm, Blemish Balm) ক্রিম স্কিনকে ইভেন টোনড করে এবং ব্লেমিশ হাইড করে ফ্ললেস লুক দেয় নিমিষেই। এতে স্কিন ময়েশ্চারাইজিং ও হাইড্রেটিং এলিমেন্টস থাকে, যার কারণে ড্রাই বা নরমাল স্কিনের জন্য এটি একদম পারফেক্ট। এর টেক্সচার ফাউন্ডেশনের থেকে লাইট, তাই কভারেজটাও হয় একদম ন্যাচারাল। মানে একদমই হেভি ফিল হয় না, আর স্কিনটাও পিকচার পারফেক্ট দেখায়। অনেক বিবি ক্রিমে সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর বা SPF থাকে। সিসি ক্রিম CC (Color Corrector, Complexion Corrector) ক্রিমের ফর্মুলা লাইট ওয়েট ও লং লাস্টিং। ম্যাট ফর্মুলার হওয়াতে অয়েল...

লো পোরোসিটি চুল | কীভাবে চিনবেন এবং সঠিক যত্ন নিবেন?

একরাশ সুন্দর ও ঝলমলে চুল কে না চায়? কিন্তু অনেক সময় সঠিক যত্নের অভাবে সুন্দর চুলগুলো দিন দিন নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে। চুলের যত্নের ক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে সবচেয়ে বড় ভুল হলো পোরোসিটি না বুঝে হেয়ার কেয়ার করা। এতে করে চুল আরো ড্যামেজ হওয়ার চান্স থাকে। আজকের ফিচারটি মূলত লো পোরোসিটি হেয়ার কেয়ার নিয়ে। লো পোরোসিটি চুল কীভাবে বুঝবো, কীভাবে যত্ন নিতে হবে, কী ব্যবহার করা যাবে ও যাবেনা ইত্যাদি বিস্তারিত জানবো আজকের ফিচারে। লো পোরোসিটি বলতে কী বোঝানো হয়? পোরোসিটি শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে ছিদ্র। ত্বকে যেমন অসংখ্য পোর বা ছিদ্র থাকে, চুলের ক্ষেত্রেও কিন্তু তাই রয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি চুলে অসংখ্য ছিদ্র বিদ্যমান, যার মাধ্যমে চুলে আর্দ্রতা প্রবেশ করে এবং চুল আর্দ্রতা ধরে রাখার চেষ্টা করে। একেই হেয়ার পোরোসিটি বলে। পোরোসিটি ৩ রকম, হাই, মিডিয়াম ও লো। এই হেয়ার পোরোসিটির মাত্রা প্রত্যেক মানুষের ক্ষেত্রে আলাদা হয়ে থাকে। লো পোরোসিটির চুলগুলো কম ছিদ্র সম্পন্ন হয়ে থাকে। লো পোরোসিটি চুলের কিউটিকল লেয়ার খুব শক্ত ভাবে সংযুক্ত থাকে। যার ফলে এ ধরনের চুল আর্দ্রতা সহজে গ্রহণ করতে পারেনা, তবে একবার আর্দ্রতা গ্রহণ করলে এ ধরনের...