Skip to main content

স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পাওয়ার ইজি ও সিম্পল কয়েকটি স্টেপস

মেকআপ করা শেষে লিপস্টিক লাগানো না হলে পুরো লুকটাই ইনকমপ্লিট থেকে যায়। লিপস্টিক যেমন লুকটাকে পারফেক্ট করে তোলে, তেমনই সঠিকভাবে অ্যাপ্লাই না করার কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তা নষ্টও হয়ে যেতে পারে। লিপস্টিক ছড়িয়ে পড়লে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পাওয়ার জন্য তাই ফলো করতে পারেন কয়েকটি স্টেপস। চলুন জেনে নেই স্টেপগুলো সম্পর্কে।

স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পাওয়ার ইজি স্টেপস

লিপস স্ক্রাব করে নিন

লিপস্টিক ভালোভাবে অ্যাপ্লাই করার প্রথম শর্তই হচ্ছে লিপস সফট ও ময়েশ্চারাইজড রাখা। এজন্য শুরুতে লিপস স্ক্রাব করে নিতে হবে। স্ক্রাব করার জন্য প্রথমে ঠোঁটে অল্প পরিমাণ ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। এবার একটি ক্লিন টুথব্রাশ দিয়ে লিপস স্ক্রাব করে নিন। এতে ডেড সেলস উঠে আসবে এবং ঠোঁট হবে সফট ও ময়েশ্চারাইজড।

ফাউন্ডেশন বা কনসিলার অ্যাপ্লাই করে নিন

একটু খেয়াল করে দেখুন তো, আপনার আপার ও লোয়ার লিপসের কালার ডিফারেন্ট কিনা? তাহলে চলুন এই ডিফারেন্স ঢাকতে একটি হ্যাকস জেনে নেই। আমার লিপসের কালারও কিন্তু কিছুটা আলাদা। এ জন্য এই হ্যাকসটা আমার বেশ পছন্দের। লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে অল্প পরিমাণ ফাউন্ডেশন বা কনসিলার লাগিয়ে নিন। এতে ঠোঁটে হাইপারপিগমেন্টেশন বা প্যাচেস থাকলে সেটাও ঢেকে যাবে। লিপস্টিক অ্যাপ্লাইয়ের পর লুকটা দেখতেও বেশ ভাইব্রেন্ট লাগবে।

স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পাওয়ার উপায়

লিপ পেন্সিল ইউজ করুন

লিপস্টিক যেন আন ইভেন না লাগে বা ছড়িয়ে না যায় সেজন্য লিপ পেন্সিল ইউজ করুন। একবার লিপে আউটলাইন করা হয়ে গেলে পুরো ঠোঁট পেন্সিল দিয়ে ফিল করে নিন। এবার পছন্দের লিপস্টিক লাগিয়ে নিন। লিপস্টিক বেইজ হিসেবে পেন্সিল/লাইনার খুব ভালো একটি চয়েস। লিপস্টিক শেইডের সাথে ম্যাচ করে অথবা শেইডের চেয়ে ডার্কার কোনো পেন্সিল চুজ করুন। এবার লিপস্টিক অ্যাপ্লাই করার পালা।

লুজ পাউডার দিয়ে সেট করে নিন

লিপস্টিক দেয়া শেষ? এবার যেন এটি ছড়িয়ে না যায় সেজন্য নেক্সটে এই স্টেপটি ফলো করুন। ঠোঁটের উপর একটি টিস্যু পেপার রেখে ব্রাশ দিয়ে লুজ পাউডার দিয়ে নিন। ৫/১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। এই টেকনিক ফলো করলে লিপস্টিকে আসবে ম্যাট ফিনিশ।

এক্সেস লিপস্টিকটুকু রিমুভ করুন

আগের স্টেপটি হয়ে গেলেই হাতে একটি টিস্যু পেপার ফোল্ড করে নিন। আপার ও লোয়ার লিপসের মাঝে পেপার প্লেস করুন। ছবির মতো করে এক্সেস লিপস্টিকটুকু রিমুভ করে ফেলুন। ভয় পাবেন না, এই টেকনিক ফলো করলে লিপস্টিক আন ইভেন বা ফেইড লাগলেও আবার রি অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।

স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পেতে করণীয়

লিপস্টিক অ্যাপ্লাই করার পর দাঁতে লেগে যাওয়া বেশ কমন একটি প্রবলেম। দাঁতে লেগে গেলে সবার মাঝে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এই প্রবলেম যেন না হয় সেজন্য কমন একটি টিপস আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি। লিপস্টিক অ্যাপ্লাইয়ের পর দুই ঠোঁট ফোল্ড করে মাঝের আঙুল একবার ঢুকিয়ে বের করে নিন। এতে এক্সেস লিপস্টিকটুকু আঙুলে লেগে উঠে আসবে। এক্সেস লিপস্টিকটুকু রিমুভ করার জন্য এই দুটো পদ্ধতির যে কোনো একটি ফলো করতে পারেন।

লিপ ব্রাশ ইউজ করুন

অ্যাপ্লাই করা শেষে মনে হতে পারে লিপস্টিক হয়ত ইভেন হয়নি বা দেখতে ভালো লাগছে না। এমন মনে হলে একটি লিপ ব্রাশে সামান্য কনসিলার নিয়ে লিপসের চারপাশে অ্যাপ্লাই করে নিন। ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। এবার দেখুন অ্যাপ্লাই শেষে লিপস দেখতে একদম পারফেক্ট লাগছে!

আরও কিছু টিপস

১) স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পাওয়ার জন্য লিপস্টিকের ফর্মুলা ঠিক থাকা সবচেয়ে বেশি জরুরি। ক্রিমি বা গ্লসি লিপস্টিক অ্যাপ্লাই করার বদলে লাইট ওয়েট ম্যাট লিকুইড লিপস্টিক ইউজ করতে পারেন।

২) লিকুইড লিপস্টিকে যে অ্যাপ্লিকেটর দেয়া থাকে সেটি দিয়ে আগে লিপসের আউটার লাইন ড্র করে নিতে পারেন। এতেও লিপস্টিক ছড়ানোর চান্স কম থাকে। সেই সাথে আপনি পাবেন পারফেক্টলি শেইপড লিপস।

৩) লিপসকে ফুলার দেখাতে চান? লিপস্টিক দেয়া শেষে ঠোঁটের আপার ও লোয়ার সেন্টারে হালকা করে হাইলাইটার অ্যাপ্লাই করে নিন। এবার ব্রাউন আইশ্যাডো দিয়ে লিপসের নিচের এরিয়াতে কভার করে নিন। এতে লিপসের লুক এনহ্যান্স হবে।

লিপস্টিক দেয়ার পর হাইলাইটার দেয়া

৪) ড্রাই ও ক্র্যাক লিপসে লিপস্টিক অ্যাপ্লাই করলে শুধু যে স্ম্যাজই হয় তাই না, বরং খুব অল্প সময়েই কালার ফ্লেকি হয়ে যায়। তাই লিপস সফট করে নেয়া জরুরি। লিপস সফট রাখার জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার সুগার স্ক্রাব করে নিতে পারেন। এতে লিপসের ডেড সেলস রিমুভ হয়ে যাবে।

৫) লিপস্টিক দেয়ার সময় থিন লিপ ব্রাশ ইউজ করুন।

৬) কুইক টাচ আপের জন্য ব্যাগে সব সময় একটি লিপ কালার ক্যারি করতে পারেন।

এই তো জানিয়ে দিলাম, স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পাওয়ার ইজি ও সিম্পল কয়েকটি স্টেপস সম্পর্কে। এবার থেকে লিপস্টিক ছড়িয়ে যাওয়া নিয়ে আর ভাবতে হবে না। অথেনটিক স্কিন কেয়ার, হেয়ার কেয়ার ও মেকআপ প্রোডাক্ট পেয়ে যাবেন সাজগোজে। সাজগোজের চারটি ফিজিক্যাল শপ রয়েছে। শপগুলো যমুনা ফিউচার পার্ক, সীমান্ত সম্ভার, বেইলি রোডের ক্যাপিটাল সিরাজ সেন্টার এবং উত্তরার পদ্মনগর (জমজম টাওয়ারের বিপরীতে) এ অবস্থিত। এই শপগুলোতে ঘুরে নিজের পছন্দমতো অথবা অনলাইনে শপ.সাজগোজ.কম  থেকে কিনতে পারেন আপনার দরকারি প্রোডাক্টগুলো।

ছবিঃ সাজগোজ

The post স্ম্যাজপ্রুফ লিপস্টিক পাওয়ার ইজি ও সিম্পল কয়েকটি স্টেপস appeared first on Shajgoj.



from Shajgoj https://ift.tt/jEvPmVh
Arfatun Nabila

Comments

Popular posts from this blog

Uttara Lake View Specialized Hospital

Uttara Lake View Specialized Hospital Address: Address: House#34, Road# 5A/10B, Sector#11, Uttara, Dhaka, 1230 Phone:  01813-904080 Available Services: 24 hours emergency service Self-contained ICU NICU HDU Cabin General Ward Corona Unit Chamber of Specialist Doctors. Also, all units are open including any complex operation. from Specialist Doctor List https://ift.tt/GFQ56KdRb via IFTTT

ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের যত্ন কীভাবে নেওয়া উচিত?

আনিস আহমেদ নতুন এক জোড়া জুতা কিনেছেন। প্রথম দিন জুতা পায়ে অফিস করার পর থেকেই পায়ে ফোস্কা পড়েছে। তিনি ভাবলেন দিন কয়েকের মধ্যে সেরে যাবে। কিন্তু কয়েকদিন গেলেও ফোস্কা শুকাচ্ছে না, বরং ঘা বড় হয়েছে। ভাবনায় পরে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে তিনি জানতে পারলেন তার এই সমস্যা ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা। ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের যত্ন নিয়ে বিশেষভাবে সচেতন হতে হয়। অন্যথায় সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। ডায়াবেটিস এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত রাখে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে এর প্রভাব ফেলে। ডায়াবেটিসের ক্ষতিকর প্রভাব পায়ের ওপরে বিশেষভাবে দেখা যায়। দীর্ঘমেয়াদি ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ও রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে পায়ে সংবেদনশীলতার অভাব, রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা এবং সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের পায়ের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের যত্ন নেওয়া জরুরি কেন? ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ও রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এতে পায়ের স্নায়ুগুলো সংবেদনশীলতা হারাতে শুরু করে। এই অবস্থাটি নিউরোপ্যাথি নামে পরিচিত। নিউরোপ্যাথির কারণে রোগী অনেকসময় পায়ে আঘাত...

ফেইস শেইপ অনুযায়ী কনট্যুরিং টেকনিক

মেকআপ এর ক্ষেত্রে কনট্যুরিং একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ। এটি আমাদের ফেইসকে আরো ডিফাইনড একটি লুক দেয়। তবে ফেইস শেইপ অনুযায়ী কনট্যুরিং টেকনিক যে আলাদা, সেটা কিন্তু অনেকেই জানেন না! সঠিক উপায়ে কনট্যুরিং করে কীভবে নিজের ফেইস ফিচারস আরও ডিফাইন করা যায়, তা দেখে নেই আজকের ভিডিওতে। SHOP AT SHAJGOJ Focallure Face Contour Stick 03 Coffee (Fa01) Rated 5.00 out of 5 14% OFF ৳  300 ৳  350 Add to Bag Makeup Revolution I Heart Revolution Chocolate Contour Palette Medium 20% OFF ৳  1,000 ৳  1,250 Add to Bag NICKA K SHEER AND GLOW BRONZER BERRY SOLEIL MP513 9% OFF ৳  400 ৳  440 Add to Bag PINKFLASH All Over Face Contour - S02 Drop (PF-F02) 14% OFF ৳  215 ৳  250 Add to Bag   আরও প্রোডাক্ট কিনতে ক্লিক করুন-  shop.shajgoj.com The post ফেইস শেইপ অনুযায়ী কনট্যুরিং টেকনিক appeared first on Shajgoj . from Shajgoj https://ift.tt/o8KSQeI Sumaiya Rahman